মানবদেহের পরজীবীরা

আমরা খাচ্ছি, কাজ করছি, বিশ্রাম নিচ্ছি, ঘুমচ্ছি, খেলাধুলা, বিনোদন কতকিছুই না করছি প্রতিনিয়ত। কিন্তু কখনোকি ভেবেছেন, আমাদের এই দৈনন্দিন জীবনের সাথে সাথে আমাদের সঙ্গী হচ্ছে কত ছোট ছোট, ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পোকামাকড় আর পরজীবী?
হা হা, ভাবতে গা গুলিয়ে উঠে তাইনা?
তবু একবার ভেবে দেখুনতো, আপনি আপনার যে মসৃণ ত্বকের রূপচর্চায় অভিভূত, তার খাঁজে খাঁজে পিলপিল করে ঘুরে বেড়াচ্ছে উদ্ভট দর্শন পোকা৷ আপনার চেহারাতেই থাকছে, ডিম পারছে, বংশবিস্তার করছে।
কিংবা ভাবুন, আপনার যে চোখের পাপড়ি দেখে সবাই মুগ্ধ বা সুনাম করে, সেই পাপড়ির ভাজে ভাজে বসবাস করা কতগুলো কিলবিলে পোকা। তারা সেদিকেই খায় , দায় আর বংশবিস্তার করে মারা যায়!
শুধু চোখে বা চেহারায় না, আপনার আমার আমাদের সবারই দেহের বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করে বেড়ায় এই সব ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীবেরা। এগুলোর কোনোটা দেখতে কার্টুনের মত তো কোনোটা এলিয়েন সিরিজের মুভিগুলোর এলিয়েনের মত বীভৎস!
আরে না না ভাই থামেন থামেন, ওরা আপনাকে খেয়ে ফেলবেনা।
তবে আপনাকে খায় নিশ্চয়ই!
ঘেন্না লাগছে কি?
সে যাইহোক, ঘেন্না ঝেড়ে ফেলে চলুন আজ জেনে আসা যাক এইসব ক্ষুদে বাসিন্দাদের ব্যাপারে। এব্যাপারে আলোচনায় আমি শাহেদ রাইয়ান আছি আপনাদের সাথে।

তো চলুন তাহলে জেনে আসি মানবদেহের ক্ষুদে নাগরিকদের ব্যাপারে…

আমাদের চেহারায় মূলত দুধরণের ক্ষুদেপোকা (Mite) বসবাস করে। এরা হল Demodex folliculorum আর D. brevis ।
এরা অতিক্ষুদ্র হলেও জাতে আর্থোপোড বা যুক্তপদি। এদের প্রত্যেকেরই দুই দিকে চারটি করে আটটি করে পা থাকে, দেখতে অনেকটা লিকলিকে, লম্বা দেহ। মাইক্রোস্কোপে দেখলে মনে হয় যেন সাতার কেটে বেড়াচ্ছে। আর বসবাস করে ত্বকের বিভিন্ন স্থানে।


Demodex folliculorum রা সচরাচর দেহের লোমকুপ আর চুলের গোড়ার দিকে বসবাস করে। আর অপরদিকে Demodex brevis রা বসবাস করে খানিক গভীরে, তৈলাক্ত স্থানে। এরা আবার আকারে তার ভাইদের চাইতে কিছুটা খাটো হয়। পাগুলো সামান্য বড় হয়ে থাকে।
তবে এই দুটো পরজীবী চেহারার ত্বক ছাড়াও যৌনাঙ্গ আর স্তন্যের ত্বকেও বসবাস করে!
তবে এই ডেমোডক্স পরজীবীদের ব্যাপারে একটা অদ্ভুত তথ্য হল এদের মধ্যে স্ত্রীরা ডিম পাড়লেও এদের কনো পায়ুপথ নেই, যা দ্বারা এরা বর্জ্য নিষ্কাশন করবে!
বিশেষজ্ঞদের ধারণা যেহেতু এদের জীবনকাল খুবই কম থাকে, এরা হয়তো শেষ সময়ে বর্জ্য সহই বিস্ফারিত হয়ে যায়!
মূলত জীবনকালের শেষদিকে এসে এদের দেহ শুকিয়ে যায়। এবং সঞ্চিত থাকা বর্জ্য বেড়িয়ে ছড়িয়ে পড়ে সমস্ত ত্বকে। এবং সেই সাথে ব্যাকটেরিয়ারাও!
তবে ঘাবড়াবেন না, এইসব পরজীবীরা আদতে তেমন ভয়ানক নয়।
এপ্রসঙ্গে North Carolina State University এর গবেষক Megan Thomas বলেন, “আমার মনে হয় তারা সেরকম ক্ষতিকারক নয় যেমন করে তারা আমাদের চোখে ধরা পড়ে।
যদি তাদের সেইরকম কোনো বিরূপ প্রভাব থেকে থাকতো তাহলে না বহু লোকের মধ্যেই ধরা পড়তো।”

স্ক্যাবিস (Scabies Mites)

দেখতে নাদুসনুদুস গোলগাল। ঢালু পিঠে এদের কাটাভরা আর সামনের দিকে রয়েছে কতগুলো শুঁড়ের মত পা! দেখতে মোটামুটি কিম্ভুত স্ক্যাবিসেরা সচরাচর মানুষের পারষ্পরিক সংস্পর্শের মাধ্যমে একজনের দেহ থেকে আরেকজনে দেহে ছড়ায়। হাসপাতাল আর জেলখানার মত আবদ্ধ পরিবেশ এবং লোকে লোকারণ্য জায়গায় এদের বিস্তার খুব দ্রুত ঘটে। এই মহাশয়েরা আমাদের দেহে আরামে ঘুরে বেড়ায় আর ডিম পারে। আর সেইসবের ফলাফলস্বরুপ আমাদের দেহে উদ্রেক ঘটে ভয়াবহরকম চুলকানির!

মৃতকোষভোজী ধুলাবালির পরজীবী (Dust Mites)

এরা বেশ ক্ষুদ্র হয় আকারে। মোটে ০.২ কি ০.৩ মিলিমিটারের মত। নামে এদের ডাস্ট থাকলেও এরা আদতে আসবাবপত্রের গায়ে বাসা বাধেনা। যেহেতু এরা মৃতকোষভোজী আর পরজীবী, তাই এদের জলজ্যান্ত কিছু দরকার। তাই এরা আমাদের দেহকে বেশ আদর্শ স্থান হিসেবে বেছে নেয়।
দেখতে ছোট আর নিরীহ মনে হলেও এরা খাদ্য প্রস্তুতের জন্যে যে এনজাইম ব্যবহার করে তার প্রতিক্রিয়ায় আমাদের দেহে এ্যালার্জির বেশ ভালই প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়!

নাভিতে বসবাসকারী ব্যাকটেরিয়া।


আপনি কি জানেন, মানবদেহের অন্যান্য বাহ্যিক অঙ্গের তুলনায় নাভিতে একাধিকরকম ব্যাকটেরিয়াদের বসবাস অনেক বেশী? এবং এই ব্যাকটেরিয়াগুলো দেহের এই অংশেই বিশেষভাবে লালিত পালিত হয়। তাই এদেরকে Belly Button Bacteria বা Naval Bacteria বলেও পরিচয় দেয়া হয়ে থাকে। প্রশ্ন আসতে পারে, সব ছেড়ে নাভিতেই কেন?
কারণ নাভির অবস্থান আর গঠনটাই এমন যে দেহের অন্যান্য জায়গার তুলনায় এদিকটায় গোসলের সময় পানি যায় কম, মনোযোগ যায় কম আর আলাদাভাবে পরিষ্কার করা হয় তুলনামূলক কম! যার দরুন অন্যান্য স্থানগুলোর তুলনায় নাভিতেই ব্যাকটেরিয়াগুলো আরামসে আস্তানা গেড়ে বসে।


National Geographic এর দেয়া এক তথ্যমতে নাভিতে প্রায় ১৪৫৮ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া বাস করে। যার মাঝে কিছু কিছু খুবই বিরল!

চিগার (Chiggers)


এরা মুলত একধরণের trombiculidae যা প্রায় সবরকমের ঘাসপালাতেই থাকে, আর ডিম বা লার্ভা দেয়ার জন্যে যেকোনো উপযুক্ত দেহ পেলেই সেটাতে লেগে পড়ে। ঠিক তেমনিভাবে এরা মানবদেহের সংস্পর্শে আসলে সেটাকেও খুব দ্রুত নিজের বসতবাড়ি বানিয়ে ফেলতে পারে! আকারে মাত্র ০.৪ মিলিমিটার হওয়াতে এদের ধরা যায়না। তবে এদের কর্মকাণ্ড শুনলে আৎকে উঠতে হবে বটে।
এদের দেহে থাকা কেমিক্যাল ব্যবহার করে এরা অন্যান্য বসতদেহের মত মানবদেহতেও ছিদ্র করে। এবং সেই ছিদ্রর মাধ্যমেই তারা রক্ত খেয়ে থাকে!
কারণ এরা রক্তজীবীই! রক্ত খেয়ে পর্যাপ্ত বড় আর হৃষ্টপুষ্ট হয়ে গেলে পরে সড়ে পড়ে।

কাঁকড়াপোকা (Crab Lice)


সামনে ছোট ছোট চিকন দুই পা, আর তার পেছনেই দুইপাশে দুইজোড়া করে কাঁকড়ার মত বাকানো পা এর জন্যেই এদের এই নাম। দেখতে বেশ নাদুসনুদুস আর অনেকটাই ভীতিকর এই ক্ষুদে পোকাগুলোর রঙ হয় গাড় তামাটের মত। আর এরা বসবাস করে যেখানে যেখানে, তা শুনে আরো আৎকে উঠবেন হয়তো।
অতিমাত্রায় ক্ষুদ্র এই জীবেরা মূলত পায়ের উরুতে (রানে), যৌনাঙ্গের চুলগজানো এলাকায় আর এমনকি পিল পিল করে গিয়ে ভ্রুর ফাঁকফোকরেও বাসা বেধে বসে। এদেরো একমাত্র খাবার রক্ত। রক্তভোজী এই ক্ষুদে জীবগুলোর জন্যে শরীরে বেশ চুলকানির উদ্রেক হতে পারে। আর হবেই না বা কেনো, দেখতে যেমন, আর যেখানে এর বসবাস!
ও হ্যা, জেনে রাখা ভাল যে এইসব ক্ষুদে ভ্যাম্পায়ারেরা কিন্তু সচরাচর যৌনক্রিয়ার মাধ্যমে একজনের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে ছড়িয়ে থাকে। ফলে এরা গোপনাঙ্গের আশেপাশে আর উরুতেই বেশি বাসা বাধে। খাদ্যের সন্ধানেই মুলত এদের এমন দেহ খোঁজা।

দেহের উকুন (Body Louse)

উকুন আমরা জানি মাথায় থাকে। আমরা ছোট থেকে এদের মাথাতেই দেখে এসেছি। কিন্তু এদের অন্যান্য জাতভাই যে দেহের অন্যান্য স্থানেও থাকতে পারে তা কি জানেন?
ঠিক তেমনি এই Body Louse বা দেহের উকুন আমাদের দেহে কাপড়ের মধ্য দিয়ে চলে আসে। সচরাচর এরা দীর্ঘদিন গোসল না করা ব্যক্তিদের শরীরে বাসা বাধে। এবং স্থানান্তরের মাধ্যম হিসেবে মানুষের পড়নের কাপড়চোপড়কেই বেছে নেয়। যখন থেকে মানবজাতি কাপড় পরিধান করা শুরু করেছে তখন থেকেই এই রক্তচোষা পরজীবী মানুষের সাথে রয়েছে। এরা আকারে মাথার উকুনদের সমানই হয়, আর দেহে থাকলে কি সমস্যার উদ্রেক করতে পারে তা তো বুঝতেই পারছেন উকুন যেহেতু। সুতরাং নিয়মিত গোসল করে পরিষ্কার থাকুন, কাপড় পরিষ্কার রাখুন।

ছাড়পোকা (Bed Bug)

আমরা অনেকেই ছারপোকা নাম জানি, শুনি এবং চিনি। এমনকি আমাদের দেশে ছারপোকা নামের একটা বিখ্যাত মিউজিক ব্যান্ডও রয়েছে! এই ছাড়পোকা বা বিছানার পোকা হল আরেক পরজীবী যা আমাদের দেহে চড়ে আসতে পারে এবং আসেও। সবচে বড় বাজে ব্যাপার হল মশার মত এরাও আমাদের ঘুমের মধ্যে আরামে আমাদের রক্ত শোষণ করতে পারে এবং সেই সাথে তাদের লালা আমাদের দেহে ছড়িয়ে দিয়ে বাধাতে পারে ঝামেলা। ছাড়পোকারা সাইজে তুলনামূলক বড়, কয়েক মিলিমিটারের হয়। আর বাজে ব্যাপার হল এই যে এরা না খেয়ে একমাসও থাকতে পারে যার কারণে হঠাৎ দীর্ঘদিন গিয়ে কোনো ফাঁকফোকরে লুকিয়ে থাকলে বুঝতেও পারবেন না যে এই আপদগুলো আদতে বিদায় হয়েছে কিনা! এদের থেকে বাঁচতে তাই বিছানা নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন আর খেয়াল রাখুন।

চক্ষুকৃমি বা Loa Loa

এদের বসবাস চোখে! শুনতেই ভয় করে তাইনা? জ্বী হ্যা, অস্বাস্থ্যকর কোনো উপায়ে হাত ডলতে গিয়ে বা অপরিচ্ছনায় এরা চোখে গিয়ে সেখানে খুব ভালভাবে আস্তানা গেড়ে ফেলতে সক্ষম। এই চোখের কৃমিরা চোখের অক্ষিগোলকের নীচেই ধীরে সুস্থে ঘুরে বেড়ায়, কারণ হয়ে দাঁড়ায় লোয়াসিস (Loasis) সংক্রমণের। আর চোখের ভেতর এমন কিছু আস্তে ধীরে ঘুরে বেড়ালে কতটা যন্ত্রণা হতে পারে তা তো বুঝতেই পারছেন! সবচে বাজে ব্যাপার হল এরা যতক্ষণ না চোখের দৃষ্টিগোচর অংশে বেড়িয়ে আসছে ততক্ষণ পর্যন্ত কিছুই করা যাচ্ছেনা তেমন। আর এরা চোখের ভেতর ১৭ বছর পর্যন্ত কাটিয়ে দিতে পারে এভাবেই!
লোয়া লোয়া রান দৈর্ঘ্যে ২.৪ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

বক্রদেহ কৃমি (Hook Worm)

এ হল আরেক জঘন্য পরজীবী। যদিও এরা শরীরের বাইরের দিকে থাকেনা আর আকারেও অনেক বড় কিন্তু যেহেতু এরা পরজীবী তাই এদের প্রসঙ্গও চলে এল।
এদের মুল লক্ষ্যই থাকে আমাদের অন্ত্র, Intestine বা সহজ ইংরেজিতে Gut এ। এরা সেখানে গিয়ে আরামসে দানা বাধে, রক্ত চোষে নাড়িভুঁড়ি দখল করে নিতে থাকে, আর এদিকে আক্রান্ত ব্যক্তি পেটের ব্যথায় অস্থির হয়ে দুমড়ে মুচড়ে মরার উপক্রম হয়। এদের লার্ভা বেশ ছোট থাকে বিধায় যখন দেহে প্রবেশ করে, আমাদের অসাবধানতার কারণে আমরা টের পাইনা।
নোংরা আর দুষিত পানি, না ধোয়া ময়লা আর আক্রান্ত ফলমূল এবং শাকসবজি থেকে খাবারের মাধ্যমে অনায়াসে এরা আমাদের দেহে প্রবেশ করে যায় কোনো বিপত্তি ছাড়াই।
এছাড়াও অন্ত্রে গিয়ে বাসা বাধার আরেক জঘন্য জীব হচ্ছে গোলকৃমি বা Round Worm। এরা বারো ইঞ্চির মত লম্বা হতে পারে এবং এরা খুবই দ্রুত অন্ত্রের প্রাচীর ভেদ করে রক্তের স্রোতে মিশে যেতে সক্ষম, যার মাধ্যমে এরা স্নায়ুকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
ডায়রিয়া, আমাশা, বমি বমি ভাব, স্নায়বিক সমস্যা, দুর্বলতা বহুবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে Roundworm এর কারণে।

চ্যাপ্টাকৃতি (Flatworm) আর ফিতাকৃমি (Tapeworm)

ক্ষুদে চ্যাপ্টাকৃতিরা পানিতে বসবাস করে। অপরিচ্ছন্ন, দূষিত পানির মাধ্যমে এরা খুব সহজেই আমাদের দেহে প্রবেশ করে। সেখান থেকে নিজেদের বিস্তৃতি ঘটিয়ে মিশে যায় রক্তস্রোতে। এবং সবচে ভয়ানক ফলস্বরূপ গিয়ে হানা দেয় মানবদেহের অন্যতম অপরিহার্য অঙ্গ যকৃতে (Liver)! সুতরাং পানি পান করার বেলায় সাবধান।

আর অপর দিকে রইলো ফিতাকৃমি বা (Tapeworm)। মানবদেহের পরজীবী কৃমিদের মাঝে এরা হচ্ছে সবচাইতে জঘন্য প্রজাতি। কারণ এরা কেবল যে শুধু অন্ত্র বা নাড়িভুঁড়িতে গিয়ে আস্তানা গেড়ে বসে তা নয়, রক্তস্রোতে মিশে তা মাথায় পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে এবং একটা মানুষের শুধু যে মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে তা নয়, ভয়াবহ নরকযন্ত্রণার কারণও হয়ে উঠতে পারে এই ফিতাকৃমি!
গাছপালা আর গুল্মজাতীয় উদ্ভিদের মাঝে এরা এদের লার্ভা ছড়িয়ে দেয়, যেখান থেকে তা গবাদিপশুর ভক্ষণের মাধ্যমে তাদের দেহে যায় এবং যখন ঐ পশুর মাংস ঠিকঠাকভাবে না ভেজে, ঠিকমত প্রস্তুত না করেই খাওয়া হয়, তখন বুঝতেই পারেন বাকিটা কি হয়।
ফিতাকৃমিরা মানবদেহে ২৫বছর পর্যন্ত বাসাবেধে টিকে থাকতে পারে কোনো অসুবিধা ছাড়াই। এবং আক্রান্ত ব্যক্তিতে জঘন্যতম যন্ত্রণা দিয়ে কুড়ে কুড়ে শেষ করে দিতে পারে।
শুকরের মাংসকে ফিতাকৃমির আদর্শ আবাসস্থল বলা হয় অনেক গবেষকদের মতে।

মানবদেহের পরজীবীদের নিয়ে এই ছিল তাহলে আমাদের আজকের পর্বের আয়োজন। এরপর আবারো আসবো হয়তো পরেরবার কোনো ভিন্ন বিষয় নিয়ে আপনাদের মাঝে।
ততদিনে ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন নিজের খেয়াল রাখুন আর বিজ্ঞানবর্তিকার সাথেই থাকুন…

আর হ্যা, ক্ষতিকর পরজীবীদের থেকে সাবধানে থাকুন।

তথ্যসূত্রঃ

Most disgusting human parasites

Comments are closed.